(প্রিয়.কম) সুপ্রিয় পাঠকেরা, প্রিয় লাইফে আপনাদের স্বাগতম। আপনাদের জীবনকে আরও একটু সহজ করতে, নানান রকম পণ্য ও সেবার রিভিউ ও খোঁজ-খবর তুলে ধরতে এখন থেকে আমাদের নিয়মিত আয়োজন থাকবে "প্রিয় রিভিউ"।  আপনার কষ্টের টাকায় যেন সেরা পণ্যটি  বেছে নিতে পারেন, সেটাই আমাদের কাম্য। রেস্তরাঁ থেকে কসমেটিক্স, পোশাক থেকে জুতো, আসবাব, রান্নাঘর সামগ্রী, সব মিলিয়ে নিত্যদিনের জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজন সকল প্রকারের পণ্য ও সেবার ভালো-মন্দ সকল দিকই তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে আমাদের এই আয়োজনে।

বিকেলের নাস্তা অথবা রাতের খাবারের জন্য, পরিবার সাথে ঘুরতে বের হলে কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময়ে সকলের পছন্দের এবং প্রিয় খাবার হলো পিৎজা। বাংলাদেশের কমবেশী সকল রেস্টুরেন্টেই বিভিন্ন রকমের পিৎজা পাওয়া যায়। যেমন বাহারি তাদের নাম, তেমন বাহারি তাদের চেহারা, এবং স্বাদেও দারুণ! পিৎজা হলো সেই খাবার যা ছোটবড় সকলেই তৃপ্তি করে খেতে পারেন।

পিৎজা ১

পিৎজা খেতে চাইলে এখন খুব বেশী দূরে বা খুব বেশী খোঁজাখুঁজি করে রেস্টুরেন্ট বের করার প্রয়োজন হয় না। প্রায় সবখানেই রয়েছে বহু রেস্টুরেন্ট যেখানে পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরণের পিৎজা। তবে আজকে এমন এক পিৎজা নিয়ে ফিচারের আয়োজন, যে পিৎজা অন্য সকল পিৎজার চেয়ে আলাদা বলেই তাকে নিয়ে লেখা! এই পিৎজার নাম ডীপ ডিশ পিৎজা।

খিলগাঁ তালতলায় অবস্থিত ডাইনিং লাউঞ্জ নামক রেস্টুরেন্টে মিলবে এই পিৎজার খোঁজ। অন্যান্য সাধারণ মেন্যুর পাশাপাশি তাদের ভিন্নধর্মী এই পিৎজার পরিবেশন ইতিমধ্যেই ভক্তদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই পিৎজার বৈশিষ্ট হলো, পিৎজার উপরের টপিং! এই বিশেষ পিৎজার টপিং হয়ে থাকে দুই ইঞ্চি পুরু! যার মধ্যে মুরগীর মাংস, গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, মাশরুম, ক্যাপসিকাম এবং অবশ্যই চীজ থাকে ভরপুর। শুধু যে এই পিৎজার টপিং এ মাংশ থাকে যেটা কিন্তু নয়, ক্রাস্টেও মিলবে সসেজ এর আনাগোনা! পুরো একটা ডীপ ডিশ পিৎজা তিন থেকে চারজন মানুষের ভরপেট খাওয়ার জন্য যথেষ্ট। মাঝারী মাপের খাদক যারা, তাদের জন্য এই পিৎজার এক স্লাইসই সই!

পিৎজা ২

ডাইনিং লাইঞ্জে তাদের মেন্যুতে রেখেছে মোট ছয় ধরণের ডীপ ডিশ পিৎজা। পিৎজাগুলোর দাম ৮৫০ থেকে ৯৯০ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে গেলে বলা যায় মজাদার এবং সুস্বাদু ছিল পিৎজাটি। আমি অর্ডার করেছিলাম শেফস সিগনেচার ডীপ ডিশ পিৎজা। যে পিৎজাতে শুধুমাত্র চীজই ছিল তিন রকমের! পিৎজার ক্রাস্ট হালকা পুড়ে গেলেও সসেজ এর জন্য খেতে খারাপ লাগেনি। এবং যে কথাটি বলতেই হয়, পিৎজাতে মাংসের কোন কমতি ছিল না। বরং বলা যায় বাড়াবাড়িই ছিল। সেক্ষেত্রে মাংস খেতে পছন্দ করেন যারা তারা অবশ্যই একবারের জন্য হলেও এই পিৎজা খেয়ে দেখতে পারেন।

রেস্টুরেন্টটি খুব একটা বড় না হলেও ইন্টেরিওর ছিল ছিমছাম এবং গোছানো। ঈদের সময় বলে ক্রেতাদের ভীড় ছিল খুব বেশী যার ফলে স্বল্প জায়গায় অনেকের বসার জায়গা নিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। তবুও যারা প্রচণ্ড কাজের চাপ মাথায় নিয়ে খাবার সার্ভ করছিলেন তাদের ব্যবহার  ছিল খুবই অমায়িক।

ডাইনিং লাইঞ্জ

 

রেস্টুরেন্টের ভেতরের ছবিটি ডাইনিং লাউঞ্জ এর কর্তৃপক্ষ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। 

পিৎজা খেতে যারা ভালোবাসেন এবং কয়েকজন মিলে একসাথে খেতে চান কোথাও, তারা ডাইনিং লাইঞ্জের ভিন্নধর্মী এই পিৎজাটি একবার খেয়ে দেখতে পারেন।  

সম্পাদনা : রুমানা বৈশাখী