(প্রিয়.কম) আইএসে যোগ দিতে সিরিয়া যাওয়ার চেষ্টার সময় বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এক মার্কিন তরুণকে সৌদি পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই)। পরবর্তীতে সংস্থাটির অনুরোধে সৌদি পুলিশ ২৮ আগস্ট পারভেজ নামের ওই তরুণকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফেরত পাঠায়।

এরপর তার বিরুদ্ধে ‘বিদেশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসকে সহযোগিতার চেষ্টার’ অভিযোগ এনে ২৯ আগস্ট মঙ্গলবার ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে হাজির করে গোয়েন্দা সংস্থাটি। গ্রেফতারের পর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাটির দাবি, পারভেজ আইএসে যোগ দেওয়ার চেষ্টায় ছিল বহুদিন ধরে।

সংস্থাটির তথ্য মতে, জুন মাসে সৌদি আরব হয়ে সিরিয়া যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন হিসেবে পারভেজকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে এফবিআই তদন্তে নামে। পরে পারভেজের ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থাটি। এখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে তারা একমত হয় যে, সে আইএসের সঙ্গে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে চেষ্টা করে যাচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে আইএসকে সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও ছবি শেয়ার করত পারভেজ। সিরিয়ায় গিয়ে স্বশরীরে জিহাদে অংশ নেয়ার আকুতিও প্রকাশ পায় তার পোস্টগুলোতে।

এর বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ভ্রমণ শেষে নিউইয়র্কে ফেরার সময়ও তাকে এসব নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল এফবিআইয়ের কাছে। তখন জবাবে পারভেজ জানিয়েছিল, ‘মানসিকভাবে নাজুক অবস্থানে পৌঁছে যাওয়ার কারণে আমি ওই ধরনের পোস্ট দিয়েছিলাম।’

সদ্য নিউ ইয়র্কের স্টাইভ্যাসেন্ট হাই স্কুল পর্ব চুকিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছিল পারভেজ আহমেদ নামের ২২ বছর বয়সী ওই তরুণ। পরে হান্টার কলেজে ভর্তি হলেও পড়াশোনায় নিয়মিত ছিল না সে। 

দোষী সাব্যস্ত হলে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে তার ২০ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে।

সূত্র: ফক্স ফাইভ

প্রিয় সংবাদ/শান্ত