(প্রিয়.কম) চাঁদে মানুষের পায়ের ছাপ! ১৯৭২ সাল থেকে মানুষ গর্ব করছে এই বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু চাঁদে যাওয়া নিয়ে কিন্তু একটি পক্ষ বিতর্ক সৃষ্টি করে আসছেন প্রথম থেকেই। বলা হয়ে থাকে, সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়েছে নাসা। তাহলে আসল কাহিনিটি কী? কী ঘটেছিল সেদিন? সম্প্রতি এই প্রশ্ন থেকেই ইন্টারনেটে নভোচারীদের চাঁদে অবতরণের ছবি প্রকাশ করা হয়। ছবিগুলো আরো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে বেরিয়ে আসে নাসার ধোঁকাবাজি। এই ছবিগুলো দিয়ে প্রমান করা চেষ্টা করা হয়েছে, আসলে মানুষ চাঁদে যায়নি। সব ছিল বানানো মিথ্যা গল্প।

কিন্তু এত বছর পর এসে এটি প্রমান করা দুঃসাধ্য এবং দুঃসাহসিক বটে! আমরা সবাই জানি অ্যাপেলো ১৭ স্পেস মিশনটি দুজন নভোচারী নিয়ে ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে চাঁদে অবতরণ করেছিলেন। কিন্তু তাদের সেই চাঁদে অবতরণে ছবি দেখলে আপনার বুঝতে মোটেও কষ্ট হবেনা, যে এটি একটি হলিউড সিনেমার একটি শুটিং সেট ছাড়া আর কিছুই নয়। চাঁদের বুকে পা রেখে তোলা তাদের সেই ছবির একটি রিফ্লেকশনে খুবই স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, বেশ উঁচু পাথরের উপর দাঁড়িয়ে আছেন একজন, আর অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন আরেকজন।

নভোচারীর পোশাকের মুখে আটকানো হেলমেটের গ্লাস রিফ্লেকশনে দেখা যাচ্ছে অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন আরেকজন। ছবি সংগৃহীত। 

মুখে আটকানো হেলমেটের গ্লাস রিফ্লেকশনে আরো দেখা যাচ্ছে, অপরপ্রান্তে দাড়িয়ে থাকা মানুষটির চারপাশে বেশ কিছু পরিত্যাক্ত সরঞ্জাম মাটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। শুধু তাই নয়, কাঁচের রিফ্লেকশনে অপর প্রান্তের মানুষটির পোশাকের দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার পোশাকটিও খুব একটা মোটা নয়। মনে হচ্ছে তিনি একটি মোটাসোটা শীতকালীন সোয়েটার পরে রয়েছেন। কিন্তু চাঁদে গেলে নভোচারীরা অনেক ভারী স্পেস সুট পরেন। যা কিনা তার ঐ রিফ্লেকশনের ছবিতে দেখা যাচ্ছে না।

মোটাসোটা শীতকালীন সোয়েটার পরে রয়েছেন এই ব্যক্তি। ছবি সংগৃহীত। 

উন্নত মানের সফটওয়্যারের কারসাজি করা হয়েছে ছবিটিতে। ছবি সংগৃহীত। 

এবার আসি আরেকটি ছবিতে। ছবিটি একটু ভালোভাবে দেখুন। দেখে বোঝাই যাচ্ছে, বেশ উন্নত মানের সফটওয়্যারের কারসাজি করা হয়েছে ছবিটিতে। এবার নভোচারীর পোশাকের দিকে লক্ষ্য করুন। আপনার কি মনে হয়ে? এই ব্যক্তির গায়ের এই পোশাকটি কি কোনো স্পেস সুট! এই ছবিটিতে তাকালেই বোঝা যাচ্ছে, তিনি একটি শর্ট ওয়েষ্ট কোট পরেছেন আর কোমরে বেঁধেছেন একটি বেল্ট। এবার নিশ্চয়ই আপনার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে না নাসার সকল মিথ্যাচারকে।

অ্যাপোলোর তিন নভোচারীর পৃথিবীতে পা দেওয়ার ছবি। ছবি সংগৃহীত। 

এবার আসি সর্বশেষ ছবিটির আলোচনায়। এটি অ্যাপোলোর শেষ ঐতিহাসিক ভ্রমণ সমাপ্তির পর তিন নভোচারীর পৃথিবীতে পা রাখার ছবি। যা দেখে সেই তথাকথিত স্পেস সুটের মানুষগুলোর শারীরিক গঠনের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলানো সম্ভব নয় এই তিনটি মানুষকে

এরকম বেশ কিছু বেমানান ঘটনার ব্যাখ্যা নিয়ে সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি ভিডিও প্রকাশ হয়। ঐ ভিডিওটিতে চাঁদে অবতরণের অনেকগুলো ছবি পর্যবেক্ষণ করে নাসাকে একটি মিথ্যুক প্রতিষ্ঠান হসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। স্ট্রীট ক্যাপ ১’ নাম ব্যবহার করে কেউ একজন এই তথ্যগুলো ভিডিওর মাধ্যমে সামনে নিয়ে আসেন।

এরই মধ্যে ‘স্ট্রীট ক্যাপ’ এর নিখুঁত পর্যবেক্ষণ নিয়ে নির্মিত ভিডিওটি দেখে নাসার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে স্ট্রীট ক্যাপ ১’ এর ভিডিওর বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর নাসার কাছ থেকে পাওয়া গেলেও তা খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি ঐ ভিডিওর দর্শকদের কাছে।

চলুন দেখে নেই স্ট্রীট ক্যাপ ১’ থেকে আপলোড করা ভিডিওগুলোর মধ্যে একটি ভিডিও-

সূত্র: ইয়াহু এবং ডেইলি মেইল

প্রিয় জটিল / শামীমা সীমা।