(প্রিয়.কম) অনেক মানুষ আছেন অসুস্থতার কারণে যারা দীর্ঘ সময় অজু রাখতে পারে না। এমনকি পাঁচ মিনিটের বেশি সময়ও অজু রাখতে পারে না। অজু করে নামাজে দাঁড়িয়েছে কিন্তু নামাজের মধ্যেই অজু ভেঙ্গে যাচ্ছে। এটা যদি কেউ ইচ্ছাকৃত করে কিংবা মাঝ মধ্যে এমন হলো সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু কারো যদি সমসময়ই এমন হয় তাহলে সে আসলে কী করবে? অজু ছাড়া তো নামাজ হয় না। তাহলে সে কি নামাজ পড়বে না? এই ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়ত কী বলে?

যাদের এমন রোগ আছে যে অজু রাখতে পারছেন না। অল্প কিছু সময় পরপরই প্র¯্রাব আসে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের এমন হয় যে দুই থেকে তিন মিনিট পরপরই প্র¯্রাব আসছে। অনেকের এই রোগের মাত্রা বেশি থাকার করণে তাদের সব সময় প্র¯্রাব পড়তেই থাকে। তাদের আসলে করণীয়টা কি? আবার এমন অনেকের পেটে সমস্যা থাকার করণে কিছু সময় পর পর বায়ু বের হতে থাকে। এই ব্যক্তি নামাজ পড়বে কিভাবে? কিংবা তিনি নামাজ পড়লে কী নামাজ আদায় হবে?

এই সমস্যাগুলো আসলে তেমন বড় কোনো সমস্যা না। যাদের আসলেই প্রকৃত পক্ষে এমন সমস্যা তারা এই সমস্যাগুলো নিয়েই নামাজ আদায় করবেন। তবে নামাজের আগে অজু করে নেবেন।

একটি হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি এমন একজন নারীকে দেখেছি যিনি ইস্তিহাজাগ্রস্ত এবং তিনি রক্তপাত থেকে মুক্ত নয়। সেই নারী কি সুস্থ হওয়ার আগে আর নামাজ পড়বে না? নবী (সা.) বললেন, অবশ্যই তিনি নামাজ পড়বেন। তার যদি সার্বক্ষণিক রক্ত পড়ে তাহলে রক্ত ধুয়ে অজু করে নামাজ পড়া শুরু করবেন। (তিরমিজি)  যাদের সার্বক্ষণিক বাযু বের হয় তাদের ক্ষেত্রেও একই বিধান দেওয়া হবে। (ফাতাহুল আল বারী)

যারা এই ধরণের রোগে আক্রান্ত আমরা সবাই তাদের সুস্থতা কামনা করছি। মহান আল্লাহপাক সবাইকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন। আমীন।

সূত্র : মুসলিমস্টোরিজ.টপ