(প্রিয়.কম) ২০০৯ সালের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ইনজুরিতে পড়ার পর থেকেই বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে অনিয়মিত মাশরাফি বিন মুর্তজা। গেল আট বছরে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন মাত্র চারটি। এর মধ্যে জাতীয় লিগে খেলেছেন তিনটি আর বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) একটি। ওয়ানডে অধিনায়ক সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

দীর্ঘদিন পর, ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়ালটন ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খুলনার হয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। তবে এই লিগ খেলা শুধুই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে সামনে রেখে অনুশীলনের অংশই ভাবছেন মাশরাফি, এখনই টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার কোনো চিন্তা করছেন না এই ৩৩ বছর বয়সী পেসার। বাংলাদেশের একটি শীর্ষ দৈনিকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

মাশরাফি বলেন, ‘তিন মাস হয়ে গেল ম্যাচ খেলি না। প্র্যাকটিসে নেট করছি। কিন্তু ম্যাচ প্র্যাকটিস ভিন্ন জিনিস। দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবো ৭ তারিখ, তার আগে যদি সম্ভব হয় জাতীয় লিগের দুটি রাউন্ড খেলতে চাই। প্রথমটা খেলে যদি ভালো মনে হয়, দ্বিতীয় রাউন্ডটাও খেলব। দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার আগে ম্যাচে ৪০-৫০ ওভার বোলিং করে যেতে পারলে ভালো হবে বলেই জাতীয় লিগে খেলছি। এখনই টেস্টে ফেরা নিয়ে ভাবছি না। সে অনেক দূরের ব্যাপার। পরেরটা পরে দেখা যাবে।’

সাদা পোশাকে মাশরাফি বিন মুর্তজা।

সাদা পোশাকে মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছবি: সংগৃহীত

টেস্ট ক্রিকেটে নেই অনেক বছর। অপরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলবেন শুধুই ওয়ানডে। সেক্ষেত্রে এই দীর্ঘ ওভারের লিগ কতোটা কাজে দেবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফি এক কথায় জানিয়ে দেন, টেস্টেওই হলো আসল ক্রিকেট শেখার জায়গা। এটাই ক্রিকেটের পাঠশালা।

বলেন, ‘আমার কাছে লংগার ভার্সন হলো সব ক্রিকেটের পাঠশালা। আপনি এ ফরম্যাটের ক্রিকেট না খেললে কখনোই অন্য ফরম্যাটে লম্বা সময় খেলতে পারবেন না। আমরা বোলাররা সব সময় নির্দিষ্ট একটা জায়গায় বোলিংয়ের কথা বলি। সেই অ্যাকুরেসি আপনার আসবে যদি মন দিয়ে লংগার ভার্সন ক্রিকেট খেলেন। ওয়ানডেতে আমাকে কখনো আক্রমণাত্মক, কখনো-বা রক্ষণাত্মক বোলিং করতে হয়। সেটা শেখার জায়গাই হলো লংগার ভার্সন। এখানে অনেক বেশি বল করার সুযোগ পাবেন। ভুলগুলো শোধরানোরও সময় বেশি পাবেন।’

সূত্র: কালেরকন্ঠ

প্রিয় স্পোর্টস/আশরাফ