(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আলোচনার জন্য মিয়ানমার ও বাংলাদেশে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৮ অক্টোবর শনিবার পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রতিমন্ত্রী ‍সিমন হেনশ নেতৃত্বাধীন ওই প্রতিনিধি দল ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করবেন। 

এই প্রতিনিধি দলটিতে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি স্কট বাসবি, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি টম ভাজদা এবং পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক ব্যুরোর অফিস ডাইরেক্টর প্যাট্রিসিয়া মাহোনিও থাকছেন।

জানা গেছে, রাখাইনে সহিংসতায় যে মানবিক সংকট ও মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তা মোকাবেলা এবং মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে বাস্তুচ্যুতদের মানবিক সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন মিয়ানমারের সেনাপ্রধানকে ফোন করে রাখাইনে সহিংসতা বন্ধের পাশাপাশি পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে সহযোগিতা চাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের এই সফর হচ্ছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেন, এই সংকটের অবসানে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখবেন তারা।

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই সংখ্যা ইতোপূর্বে সহিংসতার কারণে প্রাণ বাঁচাতে কক্সবাজারে আসা ২ লাখের বেশি লোকের অতিরিক্ত। নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই গাদাগাদি করে অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরগুলোতে অবস্থান করছে। এছাড়া স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মাত্র ৪৬ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করছে বলে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়েছে। 

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ