(প্রিয়.কম) ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যে দেশে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। ১৯৬৬ সালে বিশ্বে প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। দিবসটি উদযাপনের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দেশের সাক্ষরতা এবং বয়স্ক শিক্ষার অবস্থা তুলে ধরা হয়। সাক্ষরতার বহুবিধ ব্যবহারে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত নিরসন এবং প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সাক্ষরতা অস্থিতিশীল, অগণতন্ত্রকামী এবং সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে শান্তি স্থাপনে অবদান রাখে এবং মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করে। দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ নানা কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্তকরণ, ক্রোরপত্র ও স্মরণিকা প্রকাশ, পোস্টার তৈরি, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে সড়কদ্বীপ সজ্জিত করণ, গোলটেবিল বৈঠিক ও টেলিভিশন টকশো।

এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার জানান, সরকারের নানামুখী কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭২.৩ শতাংশতে দাঁড়িয়েছে।

সকল নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করতে না পারলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয় জানিয়ে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দেশের বিদ্যমান নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে কার্যকর জীবনদক্ষতা ভিত্তিক সাক্ষরতা প্রদান করার জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ‘মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প (৬৪ জেলা)’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

সূত্র: বাসস

প্রিয় সংবাদ/শিরিন