(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে ডিপ্লোমেটিক ব্রিফিংয়ে রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।

১১ সেপ্টেম্বর সোমবার আসিয়ান ও এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতদকে বিফ্রিং করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  এসময় তিনি সহিংসতা বন্ধের আহ্বানা জানান।

প্রায় এক ঘন্টা সময়ব্যাপী স্থায়ী এ ব্রিফিংয়ে সাম্প্রতিক বিষয় নিয়েই আলোচনা হয় বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক।

ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে সচিব বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা জরুরি। কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ও শর্তহীন বাস্তবায়ন করা অত্যাবশ্যক।’

শহীদুল হক বলেন, ‘কফি আনান কমিশনের পরামর্শ হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দিতে হবে। আমরাও এটি চাই।’

ব্রিফিংয়ে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, ব্রুনেই, চীন, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভিয়েতনাম,   ভুটান, নেপাল, শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আসিয়ান সদস্য মিয়ানমারের কোনোও প্রতিনিধি ব্রিফিংয়ে ছিলেন না।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত রাষ্ট্রদূতরা রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান সচিব।

উল্লেখ্য,  মিয়ানমারের রাখাইনে ২৪ আগস্ট গভীর রাতে হামলার পর থেকে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর নজিরবিহীন আক্রোশের শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গারা। গুলি করে, কুপিয়ে, ধর্ষণ করে, পুড়িয়ে ফেলে হত্যা করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের। ইতিমধ্যে ৩ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে হত্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সহিংসতার শুরুর পর থেকে প্রাণ বাঁচাতে ইতিমধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। যার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছেই।

প্রিয় সংবাদ/রিমন